This is default featured post 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

Thursday, December 10, 2015

সুদকষা অংক ১৫ সেকেন্ডে সমাধানের টেকনিক

বিসিএস এবং এমবিএ সহ নিয়োগ পরীক্ষায় অতি অল্প সময়ে জটিল অংক সমাধান করতে হয়। কিছু টেকনিক জানা থাকলে অংক করা সহজ হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ভালো পরীক্ষা দেয়া সম্ভব। আজ আপনাদের দেখাবো অল্প সময়ে সর্বোচ্চ ১৫ সেকেন্ডে কিভাবে কাজ ও শ্রমিক সংক্রান্ত অংকের সমাধান করা যায়।
সূত্রঃ ১ যখন মুলধন, সময় এবং সুদের হার সংক্রান্ত মান দেওয়া থাকবে তখন-
সুদ / মুনাফা = (মুলধন x সময় x সুদেরহার) / ১০০
প্রশ্নঃ ৯.৫% হারে সরল সুদে ৬০০ টাকার ২ বছরের সুদ কত?
সমাধানঃ সুদ / মুনাফা = (৬০০ x ২ x ৯.৫) / ১০০ = ১১৪ টাকা
সূত্রঃ ২ যখন সুদ, মুলধন এবং সুদের হার দেওয়া থাকে তখন –
সময় = (সুদ x ১০০) / (মুলধন x সুদের হার)
প্রশ্নঃ ৫% হারে কত সময়ে ৫০০ টাকার মুনাফা ১০০ টাকা হবে?
সমাধানঃ সময় = (১০০ x ১০০) / (৫০০ x ৫) = ৪ বছর
সূত্রঃ ৩ যখন সুদে মূলে গুণ হয় এবং সুদের হার উল্লেখ থাকে তখন –
সময় = (সুদেমূলে যতগুণ – ১) / সুদের হার x ১০০
প্রশ্নঃ বার্ষিক শতকরা ১০ টাকা হার সুদে কোন মূলধন কত বছর পরে সুদে আসলে দ্বিগুণ হবে?
সমাধানঃ সময় = (২– ১) /১০ x ১০০ = ১০ বছর
সূত্রঃ ৪ যখন সুদে মূলে গুণ হয় এবং সময় উল্লেখ থাকে তখন
সুদের হার = (সুদেমূলে যতগুণ – ১) / সময় x ১০০
প্রশ্নঃ সরল সুদের হার শতকরা কত টাকা হলে, যে কোন মূলধন ৮ বছরে সুদে আসলে তিনগুণ হবে?
সমাধানঃ সুদের হার = (৩ – ১) / ৮ x ১০০ = ২৫%
সূত্রঃ ৫ যখন সুদ সময় ও মূলধন দেওয়া থাকে তখন
সুদের হার = (সুদ x ১০০) / (আসল বা মূলধন x সময়)
প্রশ্নঃ শতকরা বার্ষিক কত টাকা হার সুদে ৫ বছরের ৪০০ টাকার সুদ ১৪০ টাকা হবে?
সমাধানঃ সুদের হার = (১৪০ x ১০০) / (৪০০ x ৫) = ৭ টাকা
সূত্রঃ ৬ যখন দুটি আসল এবং দুটি সময়ের সুদ দেওয়া থাকে তখন –
সুদের হার = (মোট সুদ x ১০০)/ {(১ম মূলধন x ১ম সময়) + (২য় মূলধন x ২য় সময়) }
প্রশ্নঃ সরল হার সুদে ২০০ টাকার ৫ বছরের সুদ ও ৫০০ টাকার ৬ বছরের সুদ মোট ৩২০ টাকা হলে সুদের হার কত?
সমাধানঃ সুদের হার = (৩২০x ১০০)/ {(২০০ x ৫) + (৫০০ x৬) } = ৮ টাকা
সূত্রঃ ৭ যখন সুদের হার, সময় এবং সুদে- মূলে উল্লেখ থাকে-
মূলধন/আসল = (১০০ xসুদআসল) / {১০০ + (সময় x সুদের হার)}
প্রশ্নঃ বার্ষিক ৮% সরল সুদে কত টাকা ৬ বছরের সুদে-আসলে ১০৩৬ টাকা হবে?
সমাধানঃ মূলধন/আসল = (১০০ x১০৩৬) / {১০০ + (৬ x ৪৮)} = ৭০০ টাকা
সূত্রঃ ৮ যখন সুদ, সময় এবং সুদের হার উল্লেখ থাকবে
মূলধন = (সুদ x ১০০)/ (সময় x সুদের হার)
প্রশ্নঃ শতকরা বার্ষিক ৪ টাকা হার সুদে কত টাকার ৬ বছরের সুদ ৮৪ টাকা হবে?
সমাধানঃ মূলধন = (৮৪ x ১০০)/ (৬x ৪) = ৩৫০ টাকা
সূত্রঃ ৯ যখন দুটি সুদের হার থাকে এবং সুদের হার ও আয় কমে যায় তখন,
আসল = হ্রাসকৃত আয় x ১০০ / {(১ম সুদেরহার – ২য় সুদের হার) xসময়}
প্রশ্নঃ সুদের হার ৬% থেকে কমে ৪% হওয়ায় এক ব্যাক্তির বাতসরিক আয় ২০ টাকা কমে গেল। তার আসলের পরিমাণ কত?
সমাধানঃ আসল = ২০ x ১০০ / {(৬ – ৪) x১ = ১০০০ টাকা
আজ এ পর্যন্তই। আবার কথা হবে নতুন কোন টেকনিক নিয়ে।

জেনে নিন,যেসব প্রাকৃতিক খাবার কিডনি সুস্থ রাখে !

বর্তমান সময়ে অনেকেই কিডনিজনিত সমস্যায় ভুগে। তবে সুখবর হল যে, এমন কিছু প্রাকৃতিক খাবার রয়েছে যা আমাদের কিডনির জন্য অনেক ভাল। এসব খাবার প্রাকৃতিক উপায়ে আমাদের কিডনিকে সুস্থ রাখে।
১. লাল ক্যাপসিকেম মরিচ:
এতে অল্প পরিমাণে পটাসিয়াম রয়েছে এবং ভিটামিন এ, সি, বি 6, ফলিক এসিড ও ফাইবারে সমৃদ্ধ। এতে লিকোফেনেও সমৃদ্ধ, যা ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। সালাদের সাথে এটি আপনি আপনার মনমত খেতে পারেন।
২. আপেল:
বিরোধী প্রদাহজনক বৈশিষ্ট্য, ফাইবার ও ভিটামিন সমৃদ্ধ, আপেল কলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ ও সুস্থ কিডনির জন্যও আপেলের জুড়ি নেই। কাঁচা, রান্না করা বা আপেলের রস যেভাবেই সেবন করুন না কেন এটি স্বাস্থ্যকর।
৩. ক্র্যানবেরি:
ক্র্যানবেরি প্রস্রাবের আম্লিক স্তর বৃদ্ধি করে ব্যাকটেরিয়া দূর করে মূত্রনালীর সংক্রমণ রোগ দূর করে। এটি একটি প্রাকৃতিক প্রতিকার। এটি ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।
৪. মাছ:
সপ্তাহে অন্তত তিনবার মাছ গ্রহণ করলে আপনার শরীরের কলেস্টেরলের পরিমাণ কমে যাবে। দেহের প্রদাহ কমাতে পারে এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হিসাবে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতেও সাহায্য করে মাছ।
৫. ডিমের সাদা অংশ:
ডিমের সাদা অংশ প্রোটিনে সমৃদ্ধ থাকে, যা সহজেই শরীর দ্বারা সম্পৃক্ত হয়ে যায়। এতে পটাসিয়ামের পরিমাণও কম। ডিম পোচ বা সেদ্ধ করে খেলে উপকার পাওয়া যায়।
এরা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন এবং খনিজে সমৃদ্ধ। যারা কিডনির অসুস্থতায় ভুগছেন তারা এসকল খাবার খেতে পারেন। তবে অবশ্যই পূর্বে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে নিন।

ঘরের ভেতর লুকানো অ্যালার্জি ও সর্দির ৮টি কারণ !

বাইরের ধুলাবালি আর নানা দূষণে ঠাণ্ডা-সর্দি লেগেই থাকে। তাই অনেকে বাড়িতে বসেই বাইরের কাজ সারতে চান।
তবু সর্দি থেকে যেন মুক্তি নেই। বিশেষজ্ঞরা জানান, বাড়িতেই এমন জিনিস রয়েছে যার কারণে সর্দির হাত থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। এই জিনিসগুলো চিনে নিন।
১. সুগন্ধি মোমবাতি
ভাবতেও পারেননি যে শখের সুন্দর গন্ধের মোমবাতির কারণে আপনার সর্দি লেগে যায়। ২০১১ সালের এক গবেষণায় বলা হয়, রুম স্প্রে বা সুগন্ধি মোমবাতি শ্বাসযন্ত্রে অ্যালার্জির কারণ। এদের শক্তিশালী গন্ধ নাসারন্ধ্রে বিরক্তির উদ্রেক করে। এর থেকে মুক্তি পেতে ঘরের জানালা কিছুক্ষণ খুলে রাখুন। এমনকি কাপড় ধোয়ার সাবান বা ডিটারজেন্টের গন্ধেও সর্দি হয়।
২. ভ্যাকুয়াম ক্লিনার
ঘরের ধুলাবালি দ্রুত পরিষ্কার করতে অনেক গৃহিণীই ভ্যাকুম ক্লিনার পছন্দ করেন। কিন্তু পরিষ্কারের পর যে ধুলা-ময়লা এর ভেতরের ব্যাগে জমা পড়ে, তা আবারও ছড়িয়ে পড়ে বাতাসে। তাই ব্যাগের এক-তৃতীয়াংশ ভরে গেলেই ময়লা ফেলে দেওয়া উচিত। এ ছাড়া ক্লিনারের এইচইপিএ ফিল্টারটি প্রতি ছয় মাস অন্তর বদলানো প্রয়োজন।
৩. ভাঙা জানালা
এখান দিয়ে অনায়াসে ঠাণ্ডা বাতাস ঘরে ঢুকে পড়ে। এ বাতাস নাসারন্ধ্র ও নাকের সঙ্গে যুক্ত স্নায়ুতন্ত্রে উত্তেজনা সৃষ্টি করে। ফলে সর্দি লেগে যায়।
৪. ফুলের তোড়া
কিছু ফুলের রেণু বাতাসে ভেসে বেড়ায়, যা নিঃশ্বাসের সঙ্গে শরীরে প্রবেশ করে। অনেকের জন্য এসব রেণু অ্যালার্জি তৈরি করে। ফল সর্দি। কোন ধরনের ফুলে এ সমস্যা হতে পারে তা খেয়াল করে দেখুন।
৫. নরম পুতুল
বাচ্চাদের জন্য তুলো ঠাসা নরম ভালুক বা অন্যান্য পুতুল অনেক ক্ষেত্রেই সর্দির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এগুলোর সংস্পর্শে থাকলে অদৃশ্য তন্তু নাকে ঢুকে পড়ে এবং সর্দি লেগে যায়। এ ছাড়া এসব পুতুলে প্রচুর ধুলাবালি আটকে থাকে। তাই কয়েক মাস পর পর পরিষ্কার করা উচিত।
৬. রৌদ্রোজ্জ্বল ঘর
ঠাণ্ডা বাতাসের মতো অতিরিক্ত রৌদ্রোজ্জ্বল ঘর সর্দির কারণ হয়। অদ্ভুত এই সমস্যাকে বলা হয় ‘ফোটিক øিজ’।
৭. ব্যায়াম
অবাক হলেও জেনে নিন, ব্যায়াম করতে গেলে অনেকেরই সর্দির সমস্যা শুরু হয়। এ অবস্থাকে বলে ‘এক্সারসাইজ-ইনডিউসড রাইনিটিস (ইআইআর)’। ২০০৬ সালের এক গবেষণায় বলা হয়, নাসাল অ্যালার্জিতে আক্রান্তদের ব্যায়ামের সময় সর্দি হতে পারে। এতে চুলকানিও হয়।
৮. বাথরুমের ম্যাট
ওয়াশ রুমের ভেতরে বা বাইরে রাখা ম্যাট সব ধরনের ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকের আবাসস্থল। প্রতি সপ্তাহে এই ম্যাট একবার না ধুলে আপনার অনায়াসে সর্দি হতে পারে। আধাকাপ ব্লিচিং পাউডার ঠাণ্ডা পানিতে মিশিয়ে এগুলো ওয়াশিং শেনে ধুতে পারেন। তবে রাবারের ম্যাটের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাবধান থাকতে হবে।

এই ঋতুতে কাশি দূর করতে আদাজল !

কারও সারা বছর খুসখুসে কাশি লেগেই থাকে। তবে ঋতু বদলের সঙ্গে সঙ্গে শিশু থেকে বৃদ্ধ প্রায় সবাই এই রোগের শিকার হয়।
কাশি সারাতে ওষুধ হয়তো আপনাকে মুক্তি দেবে। তবে সব সময় কাশি সারাতে অ্যান্টিবায়োটিক বা কাশির ওষুধের দরকার নেই। তাই প্রথমে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতিও চেষ্টা করে দেখতে পারেন।
কাশি সারাতে উৎকৃষ্ট উপাদান আদা। এর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন সি, এ, বি৬। এতে রয়েছে পটাশিয়াম, জিংক, ম্যাঙ্গানিজ। এসব উপাদান রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়। ঠান্ডা এবং কাশি সারাতে আদার পানীয়ের প্রণালিটি জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট স্টেথ নিউজ।
আদা পানীয়ের এই প্রণালিটি আপনি কয়েক মিনিটের মধ্যেই তৈরি করতে পারবেন।
যা যা লাগবে :
• একটি তাজা আদা
• এক কাপ পানি
• লেবুর রস
• মধু
কীভাবে তৈরি করবেন
১. আদার খোসা ছাড়িয়ে ভালোভাবে একে পরিষ্কার করে নিন।
২. ছোট ছোট টুকরায় কাটুন এবং এটিকে থেঁতলে নিন।
৩. এই থেঁতলানো আদাটুকু এক কাপ পরিমাণ পানিতে সিদ্ধ করুন।
৪. এই সিদ্ধ পানিতে সামান্য পরিমাণ লেবু ও মধু যোগ করুন। ঠান্ডা এবং কাশি কমাতে এই পানীয়ওটি দিনে দুই থেকে তিনবার খেতে পারেন। তবে যেকোনো খাবার খাওয়ার আগে শরীরের অবস্থা বুঝে নিন।

তেলাপিয়া মাছ খেয়েছেন তো মরেছেন !

কাঁচামরিচ-সর্ষে দিয়ে তেলাপিয়ার ঝাল, পেঁয়াজ-মরিচকুচি দিয়ে ভুনা কিংবা স্রেফ ঝোল। মাসে অন্তত কয়েকবার পাতে পড়ে না, এমন বাঙালি মেলা ভার।
দামও তুলনামূলকভাবে কম। ডাক্তাররা বলেন, শরীরে প্রয়োজনীয় প্রোটিন, ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসিডের চাহিদা মেটাতে ছোট মাছের বিকল্প নেই। কিন্তু তেলাপিয়া মাছ থেকে সাবধান। কারণ, তেলাপিয়ায় ব্যাপক স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে।
তেলাপিয়া রান্না করা সহজ, কাঁটা বেশি থাকে না, খেতে সুস্বাদু হলেও পারলে এখনই খাওয়া বন্ধ করুন। না-হলে অ্যাজমা, করোনারি ডিজিজ, হাড় ক্ষয়ের মতো নানা রোগ, এমনকি ক্যান্সারের মতো মারণ রোগও অচিরেই বাসা বাঁধতে পারে শরীরে।
বিশেষজ্ঞরা জানান, তেলাপিয়ায় ফ্যাটি এসিডের পরিমাণ অন্যসব মাছের তুলনায় কম। ফলে মাছ হিসেবে তেলাপিয়া খাওয়া হলেও তা অন্য মাছের মতো উপকারি নয়। পাশাপাশি এর ক্ষতিকর দিকগুলোও বিদ্যমান। এ ছাড়া তেলাপিয়া মাছে রয়েছে উচ্চমাত্রায় অ্যারাচিডোনিক এসিড।
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েক ফরেস্ট ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিনের প্রফেসর ড. ফ্লয়েড চিলটন বলেছেন, ‘আপনার চিকিৎসক বা কার্ডিওলজিস্ট যদি বেশি করে মাছ খেতে বলে তাহলে আপনার উচ্চমাত্রায় ওমেগা-৩ রয়েছে এমন মাছ খেতে হবে। এখানে উচ্চমাত্রায় উদ্দীপনাময় বিকল্প বাদ দিতে হবে।’
তেলাপিয়ার মতো চাষের মাছগুলোতে ফ্যাটি এসিড ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬-এর ক্ষতিকর উপস্থিতি থাকে। এ থেকে মানবশরীরে প্রদাহ তৈরি হতে পারে।
প্রাকৃতিক জলাশয়ের মাছের চেয়ে চাষ করা মাছে ১০ গুণ বেশি ক্যান্সার সৃষ্টিকারী দূষিত পদার্থ থাকে। মূলত চাষ করা মাছের খাবারে এসব পদার্থ থাকে। চাষ করা তেলাপিয়ায় এসব উপাদান থাকতে পারে। তাই এগুলো খাওয়া ক্যান্সারের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
সাম্প্রতিক কিছু গবেষণায় পাওয়া যায়, চাষ করা তেলাপিয়ায় শরীরে প্রদাহ তৈরি হতে পারে। এসব প্রদাহের ফলে হৃদযন্ত্রের বিভিন্ন রোগ, আর্থাইটিস, অ্যাজমা হতে পারে। গবেষণায় এ-ও দেখা গেছে, হ্যামবার্গার খেয়ে শরীরে যে প্রদাহ তৈরি হয়, তার চেয়ে বেশি হতে পারে তেলাপিয়া খেলে।
চাষ করা তেলাপিয়ায় বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ ডায়োক্সিন থাকতে পারে। এ ডায়োক্সিন মানবশরীরে দীর্ঘদিন পর্যন্ত চক্রাকারে ক্রিয়া করতে পারে। এতে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
একটি জলাশয়ে তেলাপিয়ার মতো মাছগুলো বিপুল পরিমাণে মাছ চাষ করা হয়। এসব মাছ রোগপ্রবণ। তাই এগুলোকে জিইয়ে রাখতে অ্যান্টিবায়োটিক ও কীটনাশক ব্যবহার করা হয়। এ জাতীয় মাছ খেলে এ ক্ষতিকর উপাদানগুলো মানবদেহে প্রবেশ করতে পারে। এ থেকে হতে পারে প্রাণঘাতী রোগ।
আমাদের দেশে তেলাপিয়া চাষ করার সময় চাষিরা সরাসরি মুরগির বিষ্ঠা কিংবা অন্য কোনো প্রাণীর বিষ্ঠা খেতে দেন। অনেক মাছের খামারে তেলাপিয়া মাছ এ খাবার খেয়েই বড় হয়। এমনকি কোনো কোনো মুরগির খামার সরাসরি পুকুরের ওপরই তৈরি হয় যেন মুরগির বিষ্ঠা সরাসরি তেলাপিয়া মাছ খেতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরাসরি প্রাণীর বিষ্ঠা তেলাপিয়া মাছকে খাওয়ানো হলে তাতে উপস্থিত বিষাক্ত পদার্থ মানুষের দেহে প্রবেশ করার আশঙ্কা থাকে।
বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি গবেষণায় তেলাপিয়া সম্পর্কে মারাত্মক তথ্য উদ্ঘাটন করেছেন। দেখা গিয়েছে, তেলাপিয়া মাছের থাকা উপাদান শরীরকে ধীরে ধীরে শেষ করে। এক কথায়, স্লো পয়জন। অর্থাৎ তেলাপিয়া খাচ্ছেন তো মৃত্যুর দিকে এগোচ্ছেন! এবার আপনিই সিদ্ধান্ত নিন।

১ মিনিটে যন্ত্রনাদায়ক পিঠব্যাথা দূর করুন Shaan Roy | October 13, 2015


একটানা বসে কাজ করার অনেকগুলো সমস্যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে মারাত্মক পিঠব্যাথা এবং কোমর ব্যথা। একটানা অনেকটা সময় বসে থাকার অন্য সকল সমস্যা পরবর্তীতে দেখা গেলেও পিঠ ও কোমর ব্যথার সমস্যা বেশ দ্রুতই দেখা যায়। এই যন্ত্রণাদায়ক সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অনেকে ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়ে থাকেন।
কিন্তু আপনি জানেন কি? আপনার নিজের হাতেই রয়েছে এই যন্ত্রণাদায়ক ব্যথার সমাধান। মাত্র ১ মিনিটে দূর করে দিতে পারবেন এই পিঠ ও কোমর ব্যথা। জানতে চান কীভাবে? চলুন তবে জেনে নেয়া যাক।
প্রথম ধাপ
রিলাক্স হয়ে নিজের মতো আরামদায়ক অবস্থানে শুয়ে পড়ুন বা বসুন। এরপর আপনার জিহ্বা উপরের পাটির দাঁতের সাথে লাগিয়ে নিন। তারপর নাক দিয়ে নিঃশ্বাস টেনে মুখ দিয়ে অল্প শব্দ করে নিঃশ্বাস ছাড়ুন।
দ্বিতীয় ধাপ
এরপর মুখ বন্ধ করে মনে মনে ১ থেকে ৪ পর্যন্ত গুনতে গুনতে নাক দিয়ে নিঃশ্বাস নিন। এবং ৪ থেকে ৭ পর্যন্ত গোনার সমস্যা শ্বাস ভেতরে আটকে রাখুন।
তৃতীয় ধাপ
এরপর মুখ খুলে মনে মনে ৮ গোনার সাথে সাথে সজোরে অল্প শব্দ করে নিঃশ্বাস ছাড়ুন।
চতুর্থ ধাপ
আবার নিঃশ্বাস নিন। এরপর এই পুরো সাইকেল অর্থাৎ ধাপ ১ থেকে ধাপ ৪ পর্যন্ত ৩ বার করে নিন।
মনে রাখুন কিছু বিষয়ঃ
১) নিয়মিত প্র্যাকটিসের মাধ্যমেই নিরাময় হবে যন্ত্রণাদায়ক এই পিঠ ও কোমর ব্যথার সমস্যা।
২) খুব বেশি প্রয়োজন না হলে একটানা ২০ মিনিটের বেশি বসে থাকবেন না।
৩) বসার সময় বাঁকা হয়ে বসবেন না। আবার, মেরুদণ্ড একেবারে খাড়া করে ফেলবেন না।

Feeling & Emotion অর্থাৎ (আবেগ ; স্পর্শানুভূতি , শারীরিক সংবেদন , রুচি , মনোভাব , বোধশক্তি ,অনুভূতি ; উচ্ছ্বাস বিষয়ক খুব গুরুত্বপূর্ণ 85 টি ইংরেজি শব্দের বাংলা অর্থ ও ব্যাখ্যা… ইংরেজী স্পোকেন এ দক্ষতা বাড়াতে এই শব্দার্থ গুলো খুবই উপকারে আসবে ...

1) Abhorrence ➟ তীব্র ঘৃণা ;
2) Absurd ➟ অসংগত ; অযৌক্তিক ; অদ্ভুত ; হাস্যকর ;
3) Admire ➟ শ্রদ্ধা করা ;
4) Ambivalent ➟ উভয়বল ; দ্বিমুখী ; দোদুল্যমান ; পরস্পরবিরোধী দৃষ্টিভঙ্গি বা অনুভূতি ;
5) Agreement ➟ চুক্তি ; মত ; মিল ; সম্মতি ;
6) Ambivalence ➟ দোদুল্যমানতা ; একই ব্যক্তির যুগপৎ বিদ্যমানতা ; উভয়বল ; যুগপৎ এবং পরস্পরবিরোধী দৃষ্টিভঙ্গি বা আবেগ ;
7) Affection ➟ অনুরাগ ; স্নেহ ;
8) Amusement ➟ আমোদপ্রমোদ ; ক্রিয়া কৌতুক ;
9) Anger ➟ রাগ ; ক্রোধ ;
10) Anticipation ➟ প্রত্যাশা ; পূর্বজ্ঞান ; পূর্বাবাস ;
11) Anxiety ➟ উদ্বেগ, উদ্বেগের বিষয় ;
12) Assumption ➟ অনুমান ; মানিয়া বা ধরিয়া লওয়া ; আছে বলিয়া ভান ;
13) Aversion ➟ অনীহা ;
14) Awesome ➟ ভয়ানক ও অভিভূতকারী অনুভূতি ; অত্যন্ত হৃদয়গ্রাহী ও চিত্তাকর্ষক ; fb.com/tanbir.cox
15) Bluff ➟ ধাপ্পাবাজি ; প্রতারণা ;
16) Boisterous ➟ কর্কশ ও প্রচন্ড ; হৈচৈইপূর্ণ ;
17) Brave ➟ সাহসী ; দুঃসাহসী ; নির্ভীক ;
18) Cantankerous ➟ কলহপ্রিয় ; বদমেজাজি ; ঝগড়াটে ; খিটখিটে ;
19) Chicken➟hearted ➟ ভীরু ; মনোবলহীন ;
20) Comic ➟ মজার ; হাস্য➟রসাত্মক ;
21) Compassionate ➟ পরদুঃখকাতর ; করুণা পূর্ণ ; সহানুভূতিসম্পন্ন ; সদয়
22) Concerned ➟ উদ্বিগ্ন ; সংশ্লি্ষ্ট ;
23) Confidence ➟ দৃঢ় আস্থা ; দৃঢ় বিশ্বাস ; গুপ্ত কথা ;
24) Confusion ➟ বিশৃঙ্খা অবস্থা ; লজ্জা ; অপ্রতিভ অবস্থা ; স্থৈর্যচ্যুতি ; এক জিনিসকে অন্য জিনিস বলে ভুল করা ;
25) Content ➟ পরিতৃপ্তি ; সন্তোষ ;
26) Coward ➟ কাপুরুষ ;
27) Daunt ➟ ভীত করা ; নিরুৎসাহ করা ;
28) Delightful ➟ খুশি ; পরমানন্দিত ;
29) Deplore ➟ পরিতাপ করা ; বিলাপ করা ;
30) Disappointment ➟ নিরাশা ; হতাশা ;
31) Discontent ➟ অসন্তোষ ; অসন্তুষ্ট ; অসুখি ;
32) Disgust ➟ ঘৃণা, বিরক্তি ; বিরাগ ;
33) Displeasure ➟ অসন্তোষ ; বিরক্তি ;
34) Dissatisfaction ➟ অসন্তোষ, অতৃপ্তি ;
35) Earnest ➟ ব্যগ্র, আন্তরিক ;
36) Ecstasy ➟ উল্লাস ; হর্ষোচ্ছাস ; মোহাবিষ্ট অবস্থা ; কবিসুলভ উন্মাদনা
37) Emotion ➟ প্রবল অনুভূতি ; আবেগ ; উচ্ছ্বাস ; উত্তেজনা ;
38) Enchanment ➟ জাদু ভূতাবেশ ; আকর্ষণ ;
39) Entertainment ➟ চিত্তবিনোদন ; আমোদ➟প্রমোদ ; আতিথ্যদান ;
40) Exotic ➟ বিদেশী ; বহিরাগত বা ভিন্নদেশীয় (খাদ্য, গাছপালা) ; অদ্ভুত; উদ্ভট ; বিচিত্র ; চমকপ্রদ ; fb.com/tanbir.cox
41) Exquisite ➟ নিখুঁত সৌন্দর্যপূর্ণ ; চমৎকার ; বিলাসী ;
42) Extrovert ➟ বহির্মুখ ব্যক্তি ; মিশুক ; বর্হিজগৎ সম্পর্কে অধিক কৌতূহলী ব্যক্তি ; সামাজিক ও হাসিখুশি ব্যক্তি ;
43) Farce ➟ প্রহসন ; হাস্যকর বা অবাস্তব নাটিকা ;
44) Feeling ➟ স্পর্শানুভূতি ; সহানুভূতি ; আবেগ ; সংবাদন ;
45) Flutter ➟ পাখা বা ডানা ঝাপটানো ; দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হওয়া ;
46) Foul ➟ বিরক্তিকর ; নোংড়া ; ঝড়ো ; ময়লা ;
47) Frenzy ➟ প্রবল উত্তেজনা ; সাময়িক উন্মত্ততা ; প্রকোপ ;
48) Fretful ➟ খিটখিটে ; বদমেজাজী স্বভাব ;
49) Fussy ➟ হৈচৈ ভরা ; ব্যস্ততাপূর্ণ ;
50) Gloomy ➟ ক্ষীণালোকিত ; হতাশ ; বিষন্ন ;
51) Graveness ➟ গম্ভীরতা ;
52) Grieve ➟ দুঃখ দেওয়া বা পাওয়া ; শোক করা ;
53) Grumble ➟ অসন্তষ্ট হইয়া বিড়বিড় করা ; অসন্তোষ প্রকাশ করা ;
54) Humorous ➟ কৌতুকপূর্ণ ; হাস্যোদ্রেককর ; রসাত্মক ;
55) Impatient ➟ অধীর ; অধৈর্য্য ;
56) Imprudent ➟ অবিবেচক ; অপরিণামদর্শী ;
57) Introvert ➟ অন্তর্মূখী ব্যক্তি ; লাজুক বা শান্ত ব্যক্তি যে অন্যদের সাথে সহজে মিশতে বা কথা বলতে পারেনা বা চায় না ; অন্তর্মূখী করা ; মনের ভাবনা মনে রাখা
58) Lament ➟ শোক করা; বিলাপ করা ;
59) Laugh ➟ হাসা ; উপহাস করা ;
60) Lily-livered ➟ ভীরু ; fb.com/tanbir.cox
61) Melancholy ➟ মানসিক অবসাদ ; হতাশা ; সবিষাদ চিন্তাগ্রস্ত ; বিষাদগ্রস্ত ;
62) Nervous ➟ স্নায়ু সম্বন্ধীয় ; একটুতেই ঘাবড়িয়ে যায় এমন ;
63) Passion ➟ প্রচন্ড আবেগ ; আসক্তি ; যৌন ভালবাসা ; ক্রোধ ; প্রবল ইচ্ছা ; মনের উত্তেজনা ;
64) Penitent ➟ অনুতাপজনিত ; অনুতাপসূচক ;
65) Perception ➟ জ্ঞান ; উপলব্ধি ; অুনুভূতি ; বোধ ; ধারণা ; ইন্দ্রিয় দ্বারা উপলব্ধি ; fb.com/tanbir.cox
66) Perturb ➟ আকুল করা ; বিচলিত করা ; উদ্বিগ্ন করা ;
67) Pleasant ➟ সুখকর ; আনন্দদায়ক ; মনোহর ;
68) Pleasure ➟ আনন্দ সন্তোষ ; সুখানুভব ; পুলক ;
69) Pluck ➟ উৎপাটন করা। তোলা বা চয়ন করা ;
70) Reckless ➟ বেপরোয়া ; হঠকারী ;
71) Reliance ➟ বিশ্বাস ; প্রত্যয় ; আস্থা ; নির্ভরশীলতা ;
72) Ridicule ➟ বিদ্রুপ ; পরিহাস ; ঠাট্টা ;
73) Ridiculous ➟ হাস্যকর ; উপহাসাস্পদ ; অসম্ভব ;
74) Sentiment ➟ অনুভূতি ; রস ; ভাবপ্রবণতা ;
75) Seriousness ➟ আন্তরিক ;
76) Soberness ➟ সংযম ; প্রশান্তি ;
77) Spirit ➟ আত্ম ; প্রেত ; পরী ; তেজ ; কর্মশক্তি ; শৌর্য ; অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য বা নীতি ; মেজাজ ;
78) Sympathy ➟ সহানুভূতি ; সমবেদনা ; করুনা ; দরদ ;
79) Tedious ➟ বিরক্তিকর ; ক্লান্তিকর ;
80) Tolerant ➟ সহ্যকর ;সহনশীল ; সহিষ্ণু ; প্রশ্রয়দায়ক ;
81) Tolerate ➟ সহ্য করা ; বরদাস্ত করা ;
82) Tribulation ➟ দারুণ ক্লেশ ; মানসিক যন্ত্রণা ;
83) Trust ➟ বিশ্বাস ; প্রত্যয় ; নির্ভর ; আস্থা ; জিম্মা ; ন্যস্তদ্রব্য ;
84) Turbulent ➟ প্রচন্ড আলোড়নপূর্ণ ; অশান্ত ; শাসনের বা নিয়ন্ত্রনের অসাধ্য ;
85) Worry ➟ বিরক্ত করা ; উৎপীড়ন করা ; হয়রান করা ; উদ্ধিগ্ন হওয়া বা করা ;
নোটঃ -আপনার বা আপনার বন্ধুদের বা ছোট ভাই-বোনদের প্রয়োজনে অনুগ্রহ করে শেয়ার করে তাদের পড়ার সুযোগ করে দিন এবং নিজের জন্য পোস্ট লিংক সেইভ রাখুন না হলে পরে আবার খুজতে হবে ।
[ইন্টারনেট হতে সংগ্রহীত] www.fb.com/tanbir.cox
আমার সব ই-বুক সরাসরি ফেইসবুক থেকে ডাউনলোড করতে চাইলে ......
https://www.facebook.com/groups/tanbir.ebooks

BCS প্রিলির জন্য ১৫০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-উত্তর

সংবাদ সমাহার
১। ব্রাক্ষীলিপি কিভাবে লেখা হতো?
উঃ বাম থেকে ডানে
২। কোন বাঙালি কবি ইংরেজি কাব্য গ্রন্থ ভিসন অফ দি পাস্ট’ রচনা করেন?
উঃ মাইকেল মধুসূদন দত্ত
৩। স্বদেশ’ পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?
উঃ সুকুমার রায়
৪। মোনালিসা’ চরিত্রটি কোন রচনার?
উঃ আমরা তিনজন
৫। অন্যনায়ক’ নামক গল্প গ্রন্থের রচয়িতা কে?
উঃ নাজমা জেসমিন চৌধুরী
৬। কোন কবি ব্রজবুলি ভাষায় কাব্য রচনা করেন?
উঃ জয়দেব
৭। কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত ধূমকেতু’ কোন ধরনের পত্রিকা ছিল?
উঃ দৈনিক
৮। একি অকস্মাৎ হোল বজ্রপাত! কি আর লিখিবে কবি । বঙ্গের ভাস্কর প্রতিভা আকর অকালে লুকালো ছবি ।’ –এ ছন্দ দুটি কোন কবির লেখা?
উঃ ইসমাইল হোসেন সিরাজী
৯। সম্মুখে শান্তি পারাবার
ভাসাও তরী হে কর্ণধার
তুমি হবে চিরসাথী লও লও হে ক্রোড়পতি
অসিমের পথে জ্বলিবে জ্যোতি ধ্রুবতারার’ ।
কাব্যাংশটির রচয়িতা কে?
উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১০। দাউদ হায়দার রচিত ‘রাজপুত্র’ কোন জাতীয় রচনা?
উঃ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক
১১। বনলতা সেন কবিতাটি জীবনানন্দ দাস কোন ভাষার কবিতা অবলম্বনে রচনা করেছেন?
উঃ ইংরেজি
১২। ‘বাঙ্গালিরা ঠেকে শেখে’ এই উক্তিটি কার?
উঃ প্রমথ চৌধুরীর
১৩। ‘চারন কবি’ কে?
উঃ মুকুন্দ দাস
১৪। গোলাম মোস্তফাকে কাব্য সুধাকর উপাধি দেন কে?
উঃ যশোর সাহিত্য সংঘ
১৫। ‘স্বাধীনতা হীনতায় কে বাচিতে চায় হে, কে বাচিতে চায় হে?’ পংক্তিটি কার?
উঃ রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
১৬। ড.মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সম্পাদিত শিশু পত্রিকা কোনটি?
উঃ আঙ্গুর
১৭। ‘আগুনের মেয়ে’, ‘পুরুষ সুন্দর’ প্রকৃতি উপন্যাসের রচয়িতা-
উঃ আল-মাহামুদ
১৮। অষ্টম শতাব্দীর ব্রাক্ষী লিপি থেকে কয়টি বাংলা লিপির উদ্ভব হয়েছে?
উঃ ৩টি
১৯। ‘অষ্টাধ্যায়ী’ গ্রন্থটি লিখেছেন-
উঃ পাণিনি
২০। বাংলা লিপি মোটামুটি স্থায়ী রূপ লাভ করে কত সালে?
উঃ ১৮০০
২১। পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল
কাননে কুসুমকলি সকলি ফুটিল ।
-কোন কবির রচনা?
উঃ মদনমোহন তর্কালঙ্কার
২২। চর্যাপদের কবি কাহ্নপা বিরচিত পদের সংখ্যা কত?
উঃ ১৩টি
২৩। বডু চণ্ডীদাসের প্রকৃত নাম কি?
উঃ বড়াই
২৪। ‘নন্দ নন্দন চন্দ চন্দন
গন্ধ নিন্দিত অঙ্গ ।’- কোন কবির রচনা?
উঃ গবিন্দচন্দ্র
২৫। ‘তেইশ নম্বর তৈলচিত্র’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
উঃ আলাউদ্দিন আল আজাদ
২৬। ‘চুল কার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা,
মুখ তার শ্রাবস্তির কারুকার্য,
অতিদূর সমুদ্রের পর হাল ভেঙ্গে যে নাবিক হারায়েছে দিশা ।’-এই কবিতাংশটুকুর কবি কে?
উঃ জীবনানন্দ দাস
২৭। বাংলা সাহিত্যে যে চণ্ডীদাস সমস্যা রয়েছে তাতে মোট কতজন চণ্ডীদাসের পরিচয় পাওয়া যায়?
উঃ চারজন
২৮। বাংলার আদি জনগোষ্ঠী কোন ভাষাভাষী ছিল?
উঃ অস্ট্রিক
২৯। চর্যাপদ কোন ভাষায় রচিত?
উঃ প্রাচীন বাংলা
৩০। বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম নাটক কোনটি?
উঃ ভদ্রার্জুন
৩১। বাংলা সাহিত্যে কে দুঃখবাদী কবি হিসাবে পরিচিত?
উঃ মোহিতলাল মজুমদার
৩২। সারেং বৌ’ কার রচনা?
উঃ শহীদুল্লাহ কায়সার
৩৩। বাংলা ভাষায় প্রথম উপন্যাস লেখার প্রয়াস নেন কে?
উঃ হেনা ক্যাথরিনা মুলেন্স
৩৪। বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রবীন্দ্রনাথের কোন বাক্যের অন্তর্গত?
উঃ গীতবিতান
৩৫। সমাচার দর্পণ’ পত্রিকার সম্পাদক কে?
উঃ জন ক্লার্ক মার্শম্যান
৩৬। বঙ্কিমচন্দ্রের ‘দেবী চৌধুরাণী’ উপন্যাসের উপজীব্য বিষয় কি?
উঃ সন্ন্যাসী বিদ্রোহ
৩৭। বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস কোনটি?
উঃ দুরর্গেশনন্দিনী
৩৮। ‘কবর’ কবিতাটি জসীমউদদীনের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
উঃ রাখালী
৩৯। শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের পুঁথি আবিষ্কৃত হয়-
উঃ বাঁকুড়া জেলা থেকে
৪০। বাংলা উপন্যাসের প্রথম নায়কের নাম কি?
উঃ মতিলাল
৪১। চৈতন্যদেব প্রবর্তিত ধর্মতত্ত্বের নাম কি?
উঃ অচিন্ত ভেদাভেদ মতবাদ
৪২। ‘আজো আমি বাতাসে লাশের গন্ধ পাই,
আজো আমি মাটিতে মৃত্যুর নগ্ন নৃত্য দেখি’ ।-
কবিতাংশটুকুর রচয়িতা কে?
উঃ রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
৪৩। ‘জমিদার দর্পণ’ কার রচনা?
উঃ মীর মশাররফ হোসেন
৪৪। বাংলা ভাষায় মুদ্রিত প্রথম সংবাদপত্র কোনটি?
উঃ সমাচার দর্পণ
৪৫। ‘কাব্য সুধাকর’ কার উপাধি?
উঃ গোলাম মোস্তফা
৪৬। ব্যক্তিগত জীবনে ডা. লুৎফর রহমান ছিলেন-
উঃ হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার
৪৭। চরণ কবি কে?
উঃ মুকুন্দ দাস
৪৮। ‘জন্মিলে মরিতে, অমর কে কোথা হবে?’ –এই উক্তিটি কার?
উঃ মাইকেল মধুসূদন দপ্তের
৫০। ‘হিতোপদেশ’ গ্রন্থটি লিখেছেন-
উঃ মৃত্ত্যঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
৫১। বাংলা ভাষার আদিস্তরের স্থিতিকাল-
উঃ দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দী
৫২। মনসামঙ্গলের আদি কবি-
উঃ কানা হরিদত্ত
৫৩। ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারি’র রচয়িতা কে?
উঃ আবদুল গাফফার চৌধুরী
৫৪। ‘স্বাধীনতা তুমি’ কবিতাটি শামসুর রাহমানের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
উঃ বন্দি শিবির থেকে
৫৫। ‘ভাত দে হারামজাদা, নইলে মানচিত্র খাব’-উক্তিটি কার?
উঃ রফিক আজাদ
৫৬। ‘সবুজপত্র’ পত্রিকা প্রকাশিত হয়-
উঃ ১৯১৪
৫৭। মহাভারতের প্রথম বঙ্গানুবাদক-
উঃ কবীন্দ্র পরমেশ্বর
৫৮। ‘তেইশ নম্বর তৈলচিত্র’ কার রচনা?
উঃ আলাউদ্দিন আল আজাদ
৫৯। ‘কস্যচিত্র উপযুক্ত ভাই পোষ্য’ কার চ
উঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
৬০। রবীন্দ্রনাথ কোন গন্থটির নামকরণ করে যেতে পারেননি?
উঃ শেষ লেখা
৬১। বিবাহ বিভ্রাট’ গ্রন্থটি কার লেখা?
উঃ অমৃতলাল বসু
৬২। কানে খুঁজো ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে, আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলবো পেড়ে ঢিলে।’ কবির উক্তি?
উঃ শামসুর রাহমান
৬৩। কত সালে কবি নজরুল ইসলামকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রী প্রদান করা হয়?
উঃ ১৯৭৪
৬৪। ‘আলো ও ছায়া’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
উঃ কামিনী রায়্মদ
৬৫। ‘দুশত ছেষট্টি দিনে স্বাধীনতা’ বইটির লেখক কে?
উঃ নূরুল কাদির
৬৬। ‘ভাই ভাই এইতো চায়’ –প্রহসনটির রচয়িতা কে?
উঃ মীর মশাররফ হোসেন
৬৭। কোন্টি রবীন্দ্র রচনা?
উঃ বাল্মীকি প্রতিভা
৬৮। পাশ্চাত্য ভাবাদর্শে বাংলা উপন্যাস রচনার পথিকৃৎ কে?
উঃ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৬৯। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে লিখিত গ্রন্থ কোনটি?
উঃ কবর
৭০। জাহানারা ইমানের প্রথম রচনা কোনটি?
উঃ তেপান্তরের ছোট শহর
৭১। বাংলা সাহিত্যে গফুর ও আমিনা চরিত্র দুটি কোন সাহিত্যকের সৃষ্টি?
উঃ শরৎচন্দ্র
৭২। নীহারিকা দেবী কার ছদ
উঃ অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
৭৩। ‘‘কেমনে ধরিব হিয়া?
আমার বধূয়া আন বাড়ি যায়
আমার অঙ্গিনা দিয়া ।” – কোন কবির রচনা?
উঃ চন্ডিদাস
৭৪। বাংলা গদ্যে রচিত প্রথম গ্রন্থ কোন অক্ষরে লেখা হয়?
উঃ রোমান
৭৫। প্রথম বাংলা ব্যাকরণ প্রকাশিত হয় কত সালে?
উঃ ১৭৭৮ সাল
৭৬। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের কালসীমা কত খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত বিস্তৃত?
উঃ ১২০১ খ্রি.-১৮০০ খ্রি.
৭৭। মধ্যযুগের আদি নিদর্শন ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্ত
ন’ কাব্যের রচয়িতা কে?
উঃ বডু চণ্ডীদাস
৭৮। দীনবন্ধু মিত্র রচিত ‘সধবার একাদশী ‘ কোন ধরনের রচনা?
উঃ প্রহসন
৭৯। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ কবে, কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়?
উঃ ১৮০০ সালে, কলিকাতায়
৮০। বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি নাটক ‘কৃষ্ণকুমারী’ কে, কবে রচনা করেন?
উঃ মাইকেল মধুসূদন দত্ত, ১৮৬১ সালে
৮১। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত উপন্যাস ‘শেষের কবিতা’ কত সালে প্রকাশিত হয়?
উঃ ১৯২৯ সালে
৮২। ব্রিটিশ সরকার কাজী নজরুল ইসলামের কতটি গ্রন্থ বাজেয়াপ্ত করে?
উঃ ৬টি
৮৩। সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজীর ‘স্পেন বিজয়’ কোন জাতীয় রচনা?
উঃ কাব্যগ্রন্থ
৮৪। রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাস কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?
উঃ ২২ অক্টোবর, ১৯৫৪
৮৫। শহিদুল্লাহা কায়সারের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ‘সারেং বৌ’ চলচিত্রটির নিরমাতা কে?
উঃ আবদুল্লাহ আল-মামুন
৮৬। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন কাব্যকে অনুবিশ্ব বলা হয়?
উঃ মানসী
৮৭। ‘লাজুক লতা’ গল্পগ্রন্থটি কার রচিত?
উঃ মানিক বন্দোপাধ্যায়
৮৮। ডা. লুৎফর রহমানের প্রথম প্রকাশ একটি-
উঃ উপন্যাস
৮৯। কাশবনের কন্যা’ প্রবন্ধটি কে রচনা করেছেন?
উঃ আবুল কালাম শামছুদ্দিন
৯০। ‘স্মৃতির মিনার ভেঙ্গেছে তোমার, ভয় কি বন্ধু আমরা এখানে চার কোটি পরিবার খাড়া রয়েছি তো’-এ কবিতাংশটি কার লেখা?
উঃ আলাউদ্দীন আল আজাদ
৯১। ‘সাঝের মায়া’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িত কে?
উঃ বেগম সুফিয়া কামাল
৯২। সৈয়দ শামসুল হকের মুক্তিযুদ্ধভিত্
তিক উপন্যাসের নাম কি?
উঃ দংশন
৯৩। ‘আনন্দময়ী’ গীতিকাব্যের লেখক কে?
উঃ রজনীকান্ত সেন
৯৪। কবি জসীমউদদীনের প্রথম কবিতার বই কোনটি?
উঃ রাখালী
৯৫। বাংলা সাহিত্যে ‘কমলাকান্ত’ বলা হয় কোন কবিকে?
উঃ বঙ্কিমচন্দ্র
৯৬। ‘আলাওল’ বাংলা সাহিত্যের কোন যুগের কবি?
উঃ মধ্য যুগ
৯৭। ‘লাইলী মজনু’ কাব্যের মূল উৎস-
উঃ আরবীয় লোকগাঁথা
৯৮। হোসেন শাহের পৃষ্ঠপোষকতাই কে কাব্যচর্চা করেন?
উঃ রূপ গোম্বামী
৯৯। ‘একক সন্ধ্যায় বসন্তের’ প্রতিনিধিত্বকারী রচনা-
উঃ আমার পূর্ব বাংলা
১০০। ‘নূরজাহান’ নাটকের রচয়িতা কে?
উঃ দিজেন্দ্রলাল রায়
১০১। বাংলা সাহিত্যে ‘গাজী মিয়া’ নামে বহুল পরিচিত ছিল-
উঃ মীর মশাররফ হোসেন
১০২। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রকাশিত প্রথম উপন্যাস কোনটি?
উঃ বৌ ঠাকুরানীর হাট
১০৩। মাইকেল মধুসূদন দত্ত সর্বপ্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রয়োগ করেন কোন কাব্যে?
উঃ পদ্মাবতী
১০৪। ‘নকশী কাঁথার মাঠ’ বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থটির লেখক কে?
উঃ জসীমউদদীন
১০৫। বাংলা ভাষার প্রথম উপন্যাস কোনটি?
উঃ আলালের ঘরের দুলাল
১০৬। বাংলা সাহিত্যে ‘গদ্যের জনক’-
উঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
১০৭। বাংলা সাহিত্যে ‘শেলী’ নামে পরিচিত-
উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১০৮। বাংলা ভাষার প্রথম কাব্য সংকলন ‘চর্যাপদ –এর আবিস্কারক কে?
উঃ হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
১০৯। বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য কোনটি?
উঃ মেঘনাদবধ
১১০। ‘সওগাত’ পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?
উঃ নাসিরউদ্দীন
১১১। ‘যুগসন্ধিক্ষনের কবি’ কে?
উঃ ঈশরচন্দ্র গুপ্ত
১১২। কবি কায়কোবাদের প্রকৃত নাম কি ছিল?
উঃ কাজেম আল কুরায়শী
১১৩। ‘সুর্য দীঘল বাড়ী’ উপন্যাসের লেখক কে?
উঃ আবু ইসাহাক
১১৪। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাজী নজরুল ইসলামকে কোন গ্রন্থটি উৎসর্গ করেন?
উঃ বসন্ত
১১৫। ‘ভানুসিং’ কোন কবির ছদ্মনাম ছিল?
উ রবীন্দ্রনাথ
১১৬। ফোর্ট উইলিয়াম থেকে কয়টি বাংলা পুস্তক প্রকাশিত হয়?
উঃ ১৪টি
১১৭। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন কাব্যগ্রন্থের জন্য নোবেল পুরস্কার পান?
উঃ গীতাঞ্জলী ( Songs offering)
১১৮। বাংলা সাহিত্যে ছোট গল্পের জনক কে?
উঃ রবি ঠাকুর
১১৯। মোদের গরম মোদের আশা আমরি বাংলা ভাষা- এর রচয়িতা কে?
উঃ অতুলপ্রসাদ সেন
১২০। নিচের কোনটি মহাকাব্য?
উঃ মহাশ্মশান
১২১। বেগম রোকেয়ার শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ কোনটি?
উঃ অবরোধবাসিনী
১২২। ফোট উইলিয়াম কলেজ থেকে কয়টি বাংলা পুস্তক প্রকাশিত হয়েছিল?
উঃ ১৪টি
১২৩। ‘এবার ফিরাও মোরে’ কবিতাটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন কাব্যের অন্তগত?
উঃ চিত্রা
১২৪। উন্নত জীবন মহৎ জীবন মানব জীবন গ্রন্থগুলোর লেখক কে?
উঃ মোহাম্মদ লুৎফর রহমান
১২৫। ১৮৯৬ খিস্টাব্দে সাতক্ষীরা জেলার বাদশাহ গ্রামে জন্মগ্রহন করেন কে?
উঃ মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী
১২৬। শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন ধরনের গ্রন্থ?
উঃ উপন্যাস
১২৭। বাঙ্গালীর ইতিহাস বইটির লেখক কে?
উঃ অধ্যাপক সুনীতি সেন
১২৮। কোন সাল থেকে বাংলা একাডেমী কর্তৃক একুশে পদক প্রবর্তিত হয়?
উঃ ১৯৭৬ সালে
১২৯। সরীসৃপ নামক গপ্লটির রচয়িতা কে?
উঃ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
১৩০। শিখা পত্রিকা প্রথম কবে প্রকাশিত হয়?
উঃ ১৯২৭ সালে
১৩১। ডা. লুতফর রহমানের প্রথম প্রকাশ একটি—
উঃ কাব্যগ্রন্থ
১৩২। মাধবীলতা উপন্যাসটি কে রচনা করেন?
উঃ সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
১৩৩। আমি কিংবদন্তির কথা বলছি একটি—
উঃ কাব্যগ্রন্থ
১৩৪। সত্যসুন্দর দাস কার ছদ্মমান?
উঃ মোহিতলাল মজুমদার
১৩৫। একটি লাল গোলাপ কার উপন্যাস?
উঃ রশিদ করিম
১৩৬। এখন দুঃসময় নাটকটির রচয়িতা কে?
উঃ হুমায়ূন আহমেদ
১৩৭। কবিতায় আর কি লিখবো? যখন বুকের রক্তে লিখেছি একটি নাম বাংলাদেশ— কোন কবির উক্তি?
উঃ মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান

Share

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More